বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা: নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
বাংলাদেশে শিশু নিখোঁজের ঘটনা: নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে শিশু নিখোঁজের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। কোথাও নিখোঁজ শিশুকে কয়েক দিন পর উদ্ধার করা হয়েছে, আবার কিছু ঘটনায় নিখোঁজ শিশুর মরদেহও পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় শিশুদের নিরাপত্তা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
সম্প্রতি বগুড়া থেকে স্কুলে যাওয়ার পথে নিখোঁজ হওয়া দুই শিশুকে ঢাকার সোনারগাঁও ক্রসিং এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তারা ১ অক্টোবর নিখোঁজ হওয়ার পরদিন উদ্ধার হয় এবং পরে পুলিশের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এছাড়া রাজধানীর বংশালে একটি মাদ্রাসা থেকে নিখোঁজ হওয়া ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ছয় দিন পর উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তের সময় জানা যায়, একটি মোবাইল ফোন ও টাকা হারানোর ঘটনা নিয়ে শিশুটি ভয় পেয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
অন্যদিকে লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর ছয় বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। একই ঘটনায় আরেক কিশোর নিখোঁজ থাকার খবরও প্রকাশিত হয়েছে।
এসব ঘটনা থেকে শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখার প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে। অভিভাবকদের উচিত শিশুদের বাইরে যাওয়ার সময় সতর্ক রাখা, অপরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে কোথাও না যেতে শেখানো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো।
শিশু নিখোঁজ হলে সময় নষ্ট না করে দ্রুত থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা এবং পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে খোঁজ শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো তথ্য প্রকাশের আগে সেটি যাচাই করাও প্রয়োজন।
উপসংহার: শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। প্রতিটি শিশুর নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা শুধু পরিবারের নয়, পুরো সমাজের দায়িত্ব।




